kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিগত বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে নির্বাচন কমিশনের নজরবন্দি থেকেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো অনুব্রত মণ্ডল। দুই নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়  তিনি একশো শতাংশ সফল হয়েছিলেন। ফের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। এবারও যদি নির্বাচন কমিশনের নজরদারিতে পড়তে হয়? এমন সম্ভাবনাকে আমল দিলেন না জেলা তৃণমূল সভাপতি। যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কড়া নজরদারির এই প্রসঙ্গ ফু‌‌‌‌‌‌‌‌‍‌‌ৎকারে উড়িয়ে দিলেন। যদিও বিরোধীরা তাঁকে এই বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন।

শুক্রবার বীরভূমের সিউড়িতে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেখানে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘গৃহবন্দি করবে, যমের দুয়ারে করুক আর যেখানে করুকসেখান থেকেই উঠে চলে আসব।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কমিশন নজিরবিহীন ভাবে জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিল। সাংগঠনিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হল বীরভূম জেলা। অনুব্রত মণ্ডল তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই কার্যত বিরোধী-শূন্য হতে শুরু করে জেলা। বিগত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের সময় বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করে। ফের নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, অনুব্রত মণ্ডলকে আবার হয়তো নজরবন্দি করবে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ে বীরভূম জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন দু-দুবার তাকে লাল কার্ড দেখিয়েছে। লাল কার্ড দেখলে তো সেই প্লেয়ারকে মাঠের বাইরেই থাকতে হয়। জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা বিধায়ক মিল্টন রশিদ বলেন, ‘বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন যখন জেলাতে হতে দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস, তখন থেকেই সাধারণ মানুষের নজরদারিতে আছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি। যেটা তিনি এই বিধানসভা নির্বাচনে টের পাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here