ডেস্ক: অভিনেত্রী বিদ্যা বালনের সঙ্গে ‘বায়োপিক’-এর একটা অদ্ভুত যোগাযোগ রয়েছে। দক্ষিনী অভিনেত্রী, ‘অ্যাডাল্ট-স্টার’ সিল্ক স্মিতার বায়োপিক ‘দ্য ডার্টি পিকচার’, কেরিয়ারগ্রাফটাই পাল্টে দিয়েছিল বিদ্যা বালনের। দুর্ধষ অভিনয় করে ‘জাতীয় পুরস্কার’ নিজের ঝুলিতে ভরেছিলেন এই অভিনেত্রী। এবার জোর গুঞ্জন চলছে তিনি নাকি ফের বায়োপিকে ফিরতে চলেছেন। সূত্রের খবর যদি পাকা হয়, তাহলে খুব শীঘ্রই অনু মেননের পরিচালনায়, প্রয়াত লেখিকা, গনিতজ্ঞ তথা ‘মানব কম্পিউটার’ শকুন্তলা দেবী’র বায়োপিকে দেখতে পাওয়া যেতে পারে বিদ্যাকে।

‘কাহানি’, ‘তুমহারি সল্লু’র মতো একের পর এক ছবিতে ‘একাই ১০০’ তিনি। মুখ্য কেন্দ্রীয় চরিত্রে একের পর এক ছবিতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। ছবির সংখ্যা কমিয়ে দিলেও কোনও ছবিতেই তিনি নিজের অভিনয়ের মান-মাত্রা বিন্দুমাত্র পড়তে দেননা। আর তাই, শকুন্তলা দেবীর মতো বর্ণময় একটি চরিত্রে এইমুহূর্তে বিদ্যা বালনকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবা যাচ্ছেনা।

তিনি মুখে মুখে বড় বড় জটিল অঙ্কের সমাধান করে ফেলতেন নিমেষেই। এই কারণে ‘গিনেস বুক’-এও নাম ওঠে শকুন্তলা দেবীর। পাশাপাশি ‘ফান উইথ নাম্বার’ ও ‘পাজেলস টু পাজেল ইউ’র মতো বেশ কিছু বইও লিখেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত শতাব্দীর যে কোন দিন সম্পর্কে প্রশ্নের বিশদ বিবরণ সম্পর্কে এক লহমায় মনে মনে গণনা করে নির্ভুল উত্তর দিতে পারতেন তিনি। শকুন্তলা দেবীর বাবা সার্কাসে খেলা দেখাতেন। মাত্র তিন বছর বয়সেই তিনি মেয়ের বিরল এই মেধা সম্পর্কে অবগত হন। অঙ্ক আর নম্বর নিয়ে `একাধিক বই লিখেছিলেন এই মানব কম্পিউটার। ‘ফান উইথ পাজেল’, ‘অ্যাস্ট্রলজি ফর ইউ’, ‘পাজেলস টু পাজল ইউ’, ‘ম্যাথাব্লিট’ তাঁর রচিত বিখ্যাত বই। ২০১৩-এর ২১ এপ্রিল এই বিস্ময় প্রতিভা ৮৩বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এছাড়াও জীবদ্দশায় তিনি একেবারে ভিন্ন একটি বিষয়, ‘হোমোসেক্সুয়ালিটি’ নিয়েও একাধিকবার তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মতামত রাখেন। এমনকি তিনি এই বিষয়ে একটি বইও লেখেন ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অফ হোমোসেক্সুয়ালস’ নামে।

প্রসঙ্গত, বিদ্যা এখনও এই বায়োপিকে সই করেননি বলে জানা গিয়েছে। পরিচালক অনু জানিয়েছেন ছবিটি নিয়ে শেষমুহূর্তের কিছু গবেষণা চলছে, তা শেষ হলেই অভিনেতা-অভিনেত্রী নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভাববেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here