ডেস্ক: পরমাণু অস্ত্রসম্ভার মজবুত করছে পাকিস্তান৷
গত সপ্তাহেই পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক অপটিকাল ট্র্যাকিং সিস্টেম বিক্রির কথা জানিয়েছিলেন চিনের প্রশাসনিক কর্তারা ৷ আর ঠিক তারপরেই নিজেদের শক্তি বাড়াতে মাল্টি ওয়ারহেড নিউক্লিয়ার মিসাইলের আধুনিকীকরণেরও মন দিয়েছে ইসলামাবাদ ৷ চিনের অত্যাধুনিক অপটিকাল ট্র্যাকিং সিস্টেম প্রযুক্তি এ ব্যাপারে তাদের আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে ৷ এর ফলে প্রযুক্তিবিদদের ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন পর্যায়ের মূল্যবান হাই রেজেলিউশন ছবির ব্যাপারটি সহজ করে তুলবে ৷ এহেন প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্রের কলাকৌশলের উন্নতি ঘটাবে বলেই মনে করা হচ্ছে ৷
গত জানুয়ারিতে ভারত দূর পাল্লার ব্যালিস্টক মিসাইলের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপণ করেছিল৷ তারপরই এবার অপটিকাল ট্রাকিং সিস্টেম বিক্রি করল চিন ৷ এর সুবাদে এই প্রথম চিন অন্য কোনও রাষ্ট্রকে এ ধরনের অতি সংবেদনশীল প্রযুক্তি বিক্রি করল৷ ভারতের অগ্নি ফাইভ মিসাইলের পাল্লা পাঁচ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি ৷ ১৯৯৮ সালে ভারত প্রথম পরমাণু বোমা ফাটানোর একদিন পরেই পাকিস্তান পাল্টা হিসেবে পরমাণু বোমা ফাটিয়েছিল ৷ তখন থেকেই দুই দেশই পরস্পরের পরমাণু প্রকল্প ও প্রযু্ক্তিকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ৷ এবার সেই রেষারেষিতে ইন্ধন জোগালো ইসলামাবাদের অল ওয়েদার ফ্রেন্ড চিন৷
একদিকে ভারত যেমন একক পরমাণু ক্ষমতাসম্পন্ন মিসাইল তৈরিতে বিশেষ নজর দিয়ে চলেছে, তেমনই ইসলামাবাদ চাইছে এমন একটি মিসাইল যা টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল থেকে বিভিন্ন নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম৷ ভারতের মিসাইলগুলি বড় মাপের সরঞ্জাম বহন করতে সক্ষম ৷ সেইসঙ্গে দ্রুত গতিতে উড়ে গিয়ে নিশানায় আঘাত করতে পারে৷ তবে এখনও তারা মাল্টিহেড মিসাইল তৈরি করে উঠতে পারেনি৷ পাকিস্তানের এমআরআইভি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যথেষ্ট চাপে রাখবে বলে আশঙ্কা প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের৷ তাঁদের আরও আশঙ্কা এমআরআইভি প্রযুক্তি দু দেশের ভারসাম্যে বদল আনতে পারে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here