ডেস্ক: ধর্ষণ বা যৌননির্যাতনের ঘটনা পুলিশকে সঙ্গেসঙ্গে না জানানোর অর্থ এই নয় যে নির্যাতিতা মিথ্যে বলছেন৷ ভারতীয় মহিলারা খুবই কম এ ধরনের মিথ্যে অভিযোগ করে থাকেন ৷ একটি গণধর্ষণের মামলায় রায় দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছে বোম্বে হাইকোর্ট ৷ এই মামলায় চার অভিযুক্তের সাজা বহাল রাখার নির্দেশ দেন বিচারপতি ৷ প্রসঙ্গত, সেশনস কোর্ট প্রদত্ত দশ বছরের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় ওই চার সাজাপ্রাপ্ত৷ তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট৷

২০১২ সালের মার্চের পনেরো তারিখে নাসিকের ত্রম্বকেশ্বর থেকে ফেরার সময় ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করে ওই চার জন৷ ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করে৷ অভিযুক্তরা দাবি করেছিল তাদের ফাঁসানো হয়েছে৷ তারা ওই দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাওয়ার পর পুলিশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে৷ সেকারণেই নিগৃহীতা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে৷ তারা আদালতে জানায় ঘটনাটি ১৫ মার্চ ঘটলেও নিগৃহীতা তার দু দিন পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করে৷ তাদের এহেন বক্তব্যের জেরেই হাইকোর্ট এই মত জানায়৷ আদালতে অভিযুক্তদের তরফে তাদের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, মেডিকেল রিপোর্টে নিগৃহীতার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি৷ কিন্তু সেই রিপোর্টে আমল না দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বোম্বে হাইকোর্ট সাজা বহাল রাখে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here