national news
Highlights

  • ঋতুস্রাব হয়েছে কিনা প্রমাণ পেতে ৬৮ জন ছাত্রীকে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয় ভূজের কলেজে
  • এবার ১০০ জন মহিলাকে হাসপাতালের ঘরে নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হল সুরাটে
  • প্রত্যেকের যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে করা হল পরীক্ষা!

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভূজের পর এবার সুরাট। মহিলাদের তীব্রভাবে হেনস্থা করার অভিযোগ। ঋতুস্রাব হয়েছে কিনা প্রমাণ পেতে এক কলেজের ৬৮ জন ছাত্রীকে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয় কলেজের মধ্যেই। সেই নিন্দনীয় ঘটনার পর এবার আরও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটল সুরাটে। মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১০০ জন মহিলা ট্রেনিকে হাসপাতালের একটি ঘরে নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হল! বর্বরতা এখানেই শেষ নয়। প্রত্যেকের যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে করা হল ‘পরীক্ষা’।

সূত্রের খবর, ফিটনেস পরীক্ষার নাম করে সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া ১০০ জন মহিলাকে সুরাটের ওই হাসপাতালের একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্মী মিলিয়ে ১০ জন। সেখানেই তাদের সকলকে নগ্ন করে দাঁড়াতে একপ্রকার বাধ্য করা হয়। শুধু তাই নয়, প্রত্যেকের যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে গাইনি পরীক্ষা করা হয়। এমনকি, ওই ঘরের দরজা পর্যন্ত ভালভাবে বন্ধ করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনায় ওই ১০০ জন মহিলা কর্মী মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন। সকলে কাজে যেতেই এখন ভয় পাচ্ছে।

আরও জানা গিয়েছে, যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে পরীক্ষা এককথায় বিতর্কিত ‘দু ফিঙ্গার টেস্ট’ করা ছাড়াও হাসপাতালের ডাক্তাররা ওই মহিলাদের ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে বিব্রতও করে। অবিবাহিত মহিলাদের জিজ্ঞাসা করা হয় যে তারা কখনও গর্ভবতী হয়েছেন কিনা! পাশাপাশি তাদের সকলের সঙ্গে প্রচণ্ড খারাপ ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে পুরো বিষয়টিই অস্বীকার করা হয়েছে। হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অশ্বিন ভাচানি জানিয়েছেন, মহিলা কর্মীদের জরুরি শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। কোনওরকম অশ্লীলতা বা আপত্তিকর ঘটনা ঘটানো হয়নি।

এই ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সর্বত্র। নিন্দার ঝড় বয়ে গিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ওই পরীক্ষা থেকে বেরিয়ে এখন অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তাদের মানসিক অবস্থাও ভাল নয়। প্রসঙ্গত, গুজরাতেই ভুজের শ্রী সাজানন্দ গার্লস ইন্সটিটিউটে ৬৮ জন ছাত্রীকে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল ঋতুস্রাব হয়েছে কিনা জানার জন্য। হোস্টেল ওয়ার্ডেন কলেজ প্রিন্সিপালের কাছে অভিযোগ জানান, কলেজে ছাত্রীরা ঋতুস্রাবের নিয়ম কানুন মানছে না। ধর্মিয় ভাবাবেগে আঘাত করা হচ্ছে। ওই অবস্থাতেই মন্দির থেকে শুরু করে হোস্টেলের মধ্যে ঢুকে পড়ছে ছাত্রীরা। অভিযোগ পাওয়ার পরই ব্যবস্থা নেন কলেজ প্রিন্সিপাল। কলেজের ক্লাসরুম থেকে ৬৮ জন ছাত্রীকে তুলে নিয়ে আসা হয় বাথরুমে। সেখানে তাদের বাধ্য করা হয় অন্তর্বাস খুলতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here