নিজস্ব প্রতিনিধি, খড়গপুর: কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে ৬ আদিবাসী যুবকের গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ। পরে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় উদ্ধার করা হল নির্যাতিতাকে। দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয়রা। অভিযুক্তদের জেরা করে ঘটনায় জড়িত আরও একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ঘটনায় জড়িত আরও তিন আদিবাসী যুবক ৷

বুধবার সন্ধার পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর গ্রামীন থানার অন্তর্গত জকপুক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, ডেবরা থানার অন্তর্গত বালিচক এলাকায় এক দম্পতি রোজকার মতো বোতল বিক্রি করে খড়গপুর থেকে বাড়িতে ফিরছিল ৷ তারা বিভিন্ন স্থান থেকে পুরনো বোতল সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে ৷ রোজকার মতো সেই বোতল সংগ্রহ করে খড়গপুর শহরে বিক্রি করে লোকাল ট্রেনে করে বাড়িতে ফেরার সময় জকপুর স্টেশনে নামে তারা ৷ জকপুর ষ্টেশনের পাশ দিয়ে ফেরার সময় একটি ফাঁকা স্থানে সাইকেলে আগত ছয় যুবক তাদের ওপরে চড়াও হয় ৷

ওই মহিলার শ্লীলকাহানীর চেষ্টা করার চেষ্টা করলে তার স্বামী বাধা দেয় ৷ অভিযোগ, অভিযুক্তরা নির্যাতিতার স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে তাকে পাশের জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায় ৷ সেখানে ৬ জন যুবক মিলে ২৪ বছর বয়সী ওই গৃহবধূকে গণধর্ষন করে বলে অভিযোগ ৷ এরপরেই তার স্বামীর চেঁচামেচীতে স্থানীয়রা দৌড়ে এলে জঙ্গলের কাছে গেলে দুষ্কৃতিরা পালানোর চেষ্টা করে ৷ তখনই স্থানীয়রা দুই যুবককে ধরে ফেলে ৷ ধৃতরা হল গণেশ হেমব্রম, প্রদীপ হাঁসদা ৷ স্থানীয়রা মারধর করে ওই যুবকদের খড়গপুর লোকাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় ৷ পুলিশ তাদের জেরা করে অপর আরও একজনকে গ্রেফতার করে ৷ অন্যদিকে আক্রান্তদের উদ্ধার করে চিকিৎসা করা হয় ৷ বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষিতা মহিলার মেডিক্যাল টেষ্ট হয় ৷ এখানও পলাতক ৩ দুষ্কৃতী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here