ডেস্ক: বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পরই সরকার গঠনের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদুরাপ্পা। সূত্রের খবর, রাজ্যপাল বিজেপিকেই প্রথম সরকার গঠন করার সুযোগ দেবেন, এবং আগামীকালই শপথ গ্রহণ করবেন। সে ক্ষেত্রে বিধানসভায় নিজেদের আস্থা প্রমাণ করতে হবে গেরুয়া শিবিরকে। তাই গোটা দেশের নজর এখন কর্ণাটকের রাজ্যপাল বজুভাই বালার দিকেই রয়েছে। তবে তিনি বিজেপি এবং আরএসএস ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত হওয়ায় অ্যাডভান্টেজে রয়েছে বিজেপিই।

অন্যদিকে, জেডিএস নেতা ও বিরোধী জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কুমারস্বামী বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, বিজেপি জেডিএস বিধায়কদের কেনার জন্য মাথাপিছু ১০০ কোটি টাকার প্রস্তাব রেখেছে। বুধবারই আবার কংগ্রেসের বিধায়ক লিঙ্গানাগৌড়া পাটিল অভি‌যোগ তোলেন, সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে তাঁকে ক্যাবিনেটে মন্ত্রীত্ব পাইয়ে দেবে বলেছে বিজেপি। এই জোড়া অভিযোগে বিদ্ধ বিজেপি অবশ্য সমস্ত অভিযোগই নস্যাৎ করে দিয়েছে। তবে রাজ্যপালের অতীত গেরুয়া শিবির ঘেঁষা হওয়ার কারণেই এসব অভিযোগ সত্ত্বেও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ইয়েদুরাপ্পার নামই বারবার উঠে আসছে।

বুধবার দুপুরেই যদিও কুমারস্বামী রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সুযোগ চান। কিন্তু জানা গিয়েছে, কংগ্রেস বা জেডিএস কোনও দলের সঙ্গেই দেখা করেন নি। আসন সংখ্যার নিরিখে বিজেপি বৃহত্তর দল রূপে উঠে আসলেও ম্যাজিক ফিগার ১১২-র থেকে তারা ৮ আসন দূরে। অন্যদিকে, কংগ্রেস জেডিএসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১১৬টি আসন ঝুলিতে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাইছে। এই অবস্থায় রাজ্যপাল যদি বিজেপিকে সরকার গঠনের সুযোগ দেন তবে দুই বিরোধী শক্তি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here