মহানগর ওয়েবডেস্ক: উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট, ধর্মীয় মেরুকরণ। সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে যোগী আদিত্যনাথকে এনে সেই কাজটাই করতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু এই সবের মাঝে নতুন বিতর্কে নাম জড়িয়ে ফেললেন হিন্দুত্বের পোস্টার বয়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুজোর জায়গায় প্রয়োজন হলে মহরমের মিছিলের সময় পরিবর্তন করে দেওয়া যায়। কিন্তু দুর্গাপুজোর বিসর্জনে সময় পরিবর্তন করা যায় না।

মঙ্গলবার গেরুয়া বাহিনীর তাণ্ডবে রণক্ষেত্রের আকার নেয় বিধান সরণী চত্বর। অভিযোগ, বিদ্যাসাগর কলেজে ঢুকে তাঁর মূর্তি ভেঙে দেয় বিজেপির ক্যাডার বাহিনী। এই নিয়ে জোর তরজার মাঝেই রাজ্যে এসে উগ্র হিন্দুত্ববাদের তাস খেলেন তিনি। সভা ও সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের উপর তোপ দাগেন যোগী। ২০১৮ সালে মহরমের জন্য কিছু সময়ের জন্য দুর্গাপুজোর বিসর্জন স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নিয়ে তোপ দাগেন যোগী। তিনি বলেন, বাংলা ও উত্তরপ্রদেশ উভয় জায়গাতেই পুজো ও মহরম একসঙ্গে পড়েছিল। আমরা পুজোর দিনক্ষণ নির্দিষ্ট রেখে মহরমের দিন চূড়ান্ত করেছি। সেইমতো আমরা মহরমের তাজিয়া বেরনোর সময় বদলে দিয়েছিলাম।

মঙ্গলবার অমিত শাহের রোড শো-র ঘটনা টেনেও তৃণমূল কংগ্রেসকে বিঁধতে চেষ্টা করেন যোগী। যোগীর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরাই গণ্ডগোল পাকাতে অমিতের রোড শো-তে হামলা চালিয়েছিল। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের কোনও ভূমিকা নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে যোগীর দাবি, মমতা এখন হতাশায় ভুগছেন। বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনাও শাসকদলের পূর্ব পরিকল্পনা বলে দাবি করেছেন তিনি।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here