নিজস্ব প্রতিবেদক, বারুইপুর: দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমার সোনারপুরে ফেসবুক লাইভ করে মৌসুমী মিস্ত্রি নামে এক তরুণীর আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হল অভিযুক্ত যুবক আরিয়ান। মঙ্গলবার তাকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ওই তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই তরুণীর সঙ্গে বেশ কিছু ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর পাশাপাশি তার এক গৃহ শিক্ষকের সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে পুলিশ তার মোবাইল ঘেঁটে জানতে পারে।সোমবার রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ আত্মঘাতী মৌসুমীর মোবাইলের সূত্রেই আরিয়ান নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। তাঁকে মঙ্গলবার বারুইপুর আদালতে তোলা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ‘আরিয়ান’ নামে ভুয়ো একটি ফেসবুক প্রোফাইল খুলেছিলেন সুমন দাস। এই আরিয়ানই যে সুমন, তা জানত না মৌসুমী মিস্ত্রি। কিছু দিন আগে বন্ধুরাই তাকে জানিয়ে দেয় সুমনের এই ‘কীর্তি’র কথা। তার পর থেকে, দু’জনের মধ্যে তুমুল বিবাদ। অন্য মেয়েদের সঙ্গে ফেসবুকে চ্যাট, ঘনিষ্ঠতা মেনে নিতে পারছিল না মৌসুমী। অনেক বার বারণও করেছিল সুমনকে। কিন্তু তার কথায় কান দিতেন না ওই যুবক। পুলিশের দাবি প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েনের জন্যই আত্মঘাতী হন মৌসুমী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here